বিয়ের ভেন্যু ও আয়োজন উভয়ের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ঢাকার আমিনবাজারের একটি রিসোর্টে জেফার-রাফসানের বিয়ের জমকালো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এতে দুই পরিবারের সদস্য ছাড়াও শোবিজ অঙ্গনের একাধিক তারকা কণ্ঠশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তাঁদের ঘনিষ্ঠজনদের কাছে বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য জেফারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সাড়া দেননি।
প্রেমের শুরু বন্ধুত্ব থেকে জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবের বন্ধুত্ব বহুদিনের। সেই বন্ধুত্বের সম্পর্কই ধীরে ধীরে প্রেমে গড়ায় এবং অবশেষে তা পরিণয় পাচ্ছে। বছরখানেক আগে রাফসানের আগের সংসার ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই মূলত জেফারের সঙ্গে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন ডালপালা মেলে। তবে জনসমক্ষে তাঁরা সবসময়ই একে অপরকে 'ভালো বন্ধু' হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
ব্যাংকক সফর ও গুঞ্জন গত বছরের মাঝামাঝিতে তাঁদের সম্পর্কের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়, যখন দুজনকেই একসঙ্গে থাইল্যান্ডে দেখা যায়। ব্যাংককের সিয়াম প্যারাগন শপিংমলের 'পেরি পেরি' ফুডশপের ভেতরে তাঁদের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের সন্দেহের তীর তাঁদের দিকেই ছিল।
অতীতের লুকোচুরি তখন তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জেফার বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছিলেন, 'আমার বিয়ে-বাচ্চা সব নেটিজেনরা হওয়াই দিচ্ছে। এসব বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই। তারা যা ইচ্ছা বলুক।' সে সময় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে তিনি নারাজ।
যা রটে, তার কিছুটা হলেও ঘটে তবে শেষ পর্যন্ত সেই পুরোনো প্রবাদই সত্যি হলো—'যা রটে, তার কিছুটা হলেও ঘটে'। সব গোপনীয়তা ভেঙে আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন জেফার রহমান ও রাফসান সাবাব।