বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
এ সময় তিনি বলেন, "একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন স্থানে শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরীতে না, অন্যান্য মহানগর ও নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ করে দরিদ্র এবং একটু কম শিক্ষিত ভোটার যারা, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ফোন নম্বর এবং বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। এটা কখনো হয়নি আগে, আমরা বহু নির্বাচন করেছি।
কিন্তু এবার এ কাজটি হচ্ছে।" নজরুল ইসলাম খান বলেন, "আমরা আশঙ্কা করছি তারা ভুয়া এনআইডি কার্ড বানিয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে এবং বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে তারা তাদেরকে অর্থ দিয়ে তাদের পক্ষে ভোট দিতে প্রলুব্ধ করতে পারে। এটা শুধু অনৈতিক না, বেআইনি। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে এটা একটা প্রতিবন্ধকতা। " সোশ্যাল ও ট্র্যাডিশনাল মিডিয়ায় এসব এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, "আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি, নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। আমরা গতকাল প্রধান নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কথা বলেছি, আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। এখন কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে আমরা জানি না। আমরা মনে করি, এ অনৈতিক, বেআইনি ও সুষ্ঠু নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কার্যক্রম সম্পর্কে তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।
" পোস্টাল ব্যালটের প্রথমেই দাঁড়িপাল্লা, শাপলাকলি রেখে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক ভাঁজের মাঝ বরাবর রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, "এখানে ৫টা কলাম, ১৪টা লাইন করা হয়েছে। আরপিওতে বলা হয়েছে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রতিটি প্রতীক পোস্টাল ব্যালটে ছাপানো হবে। কিন্তু কয়টা কলাম বা লাইন হবে, বলা নেই। আমরা দেখেছি প্রথম লাইনে দাঁড়িপাল্লা, শাপলাকলি, হাতপাখা আছে। বিএনপির প্রতীক শেষলাইনের মাঝামাঝি জায়গায়, যাতে করে এই পেপারটা ভাঁজ করলে এটা পড়ে যাবে মাঝখানে।