পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক ছাপানোর প্রক্রিয়া
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, “ইট ইজ এ মিস, আমি (এখনই বিস্তারিত) বলতে পারব না। কারণ ছাপানোর দায়িত্বে যারা ছিলেন, তাদের কাছ থেকে না জেনে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, যতটুকু জানা আছে, সরকারিভাবে যে গেজেট পাবলিশ করা হয়েছে, সেই গেজেটের ধারাবাহিকতা বা অর্ডার অনুযায়ী ব্যালট সাজানো হয়েছে। এই বক্তব্য প্রতীক ছাপানোয় কোনো উদ্দেশ্যমূলক ত্রুটি না থাকার ইঙ্গিত দেয়।
বিএনপির অভিযোগ
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে ধানের শীষ প্রতীকটি ব্যালটের ঠিক মাঝখানে রাখা হয়েছে, যা ভাঁজ করলে সহজে নজরে আসে না। দলটির পক্ষ থেকে এখনো পাঠানো হয়নি, এমন ব্যালটগুলো সংশোধন করার দাবি জানানো হয়।
ব্যালট পুনঃমুদ্রণের সিদ্ধান্ত
ব্যালট পুনরায় ছাপানোর প্রসঙ্গে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এটি নিয়ে এখনই মন্তব্য করা যাবে না। কমিশন সভায় আলোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ, অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।
বাহরাইনে পোস্টাল ব্যালট বিতর্কের ব্যাখ্যা
সম্প্রতি বাহরাইনে প্রবাসীদের কাছে পাঠানো ১৬০টি পোস্টাল ব্যালট এক জায়গায় থাকা এবং এর ভিডিও ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গেও ইসি সচিব ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, ডাক বিভাগের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ব্যালট পাঠানো হচ্ছে। বাহরাইনে ১৬০টি ব্যালট একটি বক্সে পাঠানো হয়েছিল। অনেকটা ছাত্রাবাসের চিঠির বক্সের মতো, যেখান থেকে প্রবাসীরা তাদের ব্যালট সংগ্রহ করবেন। ব্যালট হাতে পেয়ে প্রবাসীরা আনন্দিত হয়ে ভিডিও করেছেন, তবে ভিডিওটি করা ঠিক হয়নি। এই পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।