দুবাইয়ে কর্মজীবন ও পরিণয়
অভিনয়ে নাম লেখানোর আগে আর্থিক নিশ্চয়তার জন্য বিজয় সেতুপতি দুবাইয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বেশ কয়েক বছর একটি অ্যাকাউন্ট্যান্টের পদে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি দুবাই থেকে ফিরে এসে প্রেমিকা জেসিকে বিয়ে করেন। জেসির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় বিজয়ের এক বন্ধুর সহকর্মী হিসেবে, যিনিও একসময় দুবাইয়ে থাকতেন। এই দম্পতির এক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে।
মঞ্চ ও পার্শ্বচরিত্রে শুরু
দুবাই থেকে ফেরার পর বিজয় চেন্নাইভিত্তিক একটি মঞ্চনাটকের দলে যোগ দেন। এর পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রে টুকটাক পার্শ্বচরিত্রে এবং টিভি ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। তবে সেই সময় তিনি সেভাবে কোনো খ্যাতি অর্জন করতে পারেননি।
সাফল্যের মুখ দেখা ও পারিশ্রমিক
বিজয় সেতুপতির ক্যারিয়ারে বড় মোড় আসে ২০১২ সালে। এই বছর মুক্তিপ্রাপ্ত 'সুন্দরাপান্দিয়ান' চলচ্চিত্রে তিনি মূল চরিত্রে কাজের সুযোগ পান। ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে দারুণ সাফল্য লাভ করার পর পরিচালকেরা তাঁর প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি বলিউডের বড় বাজেটের চলচ্চিত্রে খলচরিত্রে অভিনয়ের জন্য সিনেমাপ্রতি ২৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ কোটি টাকারও বেশি।
জাতীয় পুরস্কার ও অন্যান্য কাজ
'সুপার ডিলাক্স' চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য বিজয় ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন। এছাড়াও, 'বিক্রম', 'মাস্টার', 'পেত্তা' সহ অর্ধশতাধিক সফল চলচ্চিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয় দর্শক মহলে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি মূলত তামিল চলচ্চিত্রে কাজ করলেও বলিউড, মালয়ালম ও তেলেগু ভাষার সিনেমাতেও নিজের অভিনয় দক্ষতা দেখিয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করে থাকেন।