বৃষ্টির কারণে দেরিতে টস এবং সহ-অধিনায়কের আগমন বৃষ্টির কারণে দেরিতে টস অনুষ্ঠিত হয়। এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলের নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম উপস্থিত থাকলেও, টস করতে আসেন সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার। তিনি টস জিতে প্রথমে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বুলাওয়ের উইকেটের আর্দ্রতা কাজে লাগিয়ে প্রথম ১০-১৫ ওভারে বোলাররা সুবিধা পাবেন—এই কৌশলগত কারণেই আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে উল্লেখ করেন জাওয়াদ আবরার। ফলে ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নামে।
করমর্দন না করার বিতর্ক টসের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় দুই অধিনায়ক পিচ ও কৌশল নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কথা বলেন। তবে তাঁদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী করমর্দন বা হ্যান্ডশেক না হওয়ার বিষয়টি সবার নজর কাড়ে। ক্রিকেটের ময়দানে এমন ঘটনা বিরল হলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এমন দৃশ্যের অবতারণা হতে দেখা গেছে—বিশেষ করে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচগুলোতে। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এবার সেই রেশ বাংলাদেশ পর্যন্তও বিস্তৃত হয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন সাম্প্রতিক সময়ে আইপিএল (IPL) ইস্যু, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনের মধ্যে যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্ককে উত্তপ্ত করে তুলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। মাঠের এই ঘটনা তারই প্রতিচ্ছবি।
টস নিয়ে দুই অধিনায়কের বক্তব্য টসের পর বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার বলেন, “উইকেট স্যাঁতসেঁতে দেখাচ্ছে। প্রথম ১০–১৫ ওভারে বোলাররা সুবিধা পাবে বলে আমরা আগে বোলিং নিয়েছি। আমাদের প্রস্তুতি ভালো এবং আজ দলে দুজন অলরাউন্ডার (All-rounder) আছেন।”
অন্যদিকে, ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে বলেন, “আমরাও আগে বোলিং নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সমস্যা নেই। লক্ষ্য বড় না হলে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে তাড়া করতে পারব। আজ দলে কোনো পরিবর্তন নেই।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই ম্যাচ কেবল ক্রিকেটীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতাই নয়, দুই দেশের বর্তমান ক্রিকেট প্রশাসনের সম্পর্কের এক প্রতিচ্ছবিও বটে।