ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র পথ। জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেবে—এটাই গণতন্ত্রের মূল কথা।
অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর গোপীবাগে বাংলাদেশ বয়েজ ক্লাব (৩৯ নং ওয়ার্ড) আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শোক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভায় তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভোটাধিকার নিয়ে তার দলের অবস্থান তুলে ধরেন।
গণতন্ত্রে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে একটি গোষ্ঠী ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করেছে। তবে বাংলাদেশের মানুষ এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে আবারও গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে চায়। তার মতে, গণতন্ত্র মানে শুধু স্লোগান নয়, এটি জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ। প্রত্যেক পাঁচ বছর অন্তর একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।
আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারক বিএনপির এই নেতা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে শুধু একটি সরকার পরিবর্তনের নির্বাচন হিসেবে নয়, বরং 'বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নির্বাচন' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করার দাবি জানান।
ভোটদানের জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি বারবার অনুরোধ করছি— আপনারা পরিবার-পরিজনসহ ভোটকেন্দ্রে যাবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। ভোট না দিলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়, আর ভোট দিলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে জনগণের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমেই রায় আসতে হবে এবং সেই রায় আমরা সবাই মেনে নেব। ভোটকেন্দ্রে জনগণের উপস্থিতিই একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দেখাবে।