• জাতীয়
  • দুই সেনা কর্মকর্তাসহ চার আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু

দুই সেনা কর্মকর্তাসহ চার আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচার শুরু হলো।

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
দুই সেনা কর্মকর্তাসহ চার আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও মেজর পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তাসহ মোট চার আসামির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তাসহ চার আসামির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আসামিদের পরিচয়

মামলার চার আসামির মধ্যে দুজন বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় আছেন। তাঁরা হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত–বিন–আলম। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় তাঁরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) কর্মরত ছিলেন।

অপর দুই আসামি হলেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান। তাঁরা দুজনই বর্তমানে পলাতক।

প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি

মঙ্গলবার এই মামলায় চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এরপর মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন বিশ্বজিৎ রাজবংশী।

জবানবন্দিতে বিশ্বজিৎ রাজবংশী জানান, তিনি পেশায় একজন এসি মেকানিক। তাঁর বাবা গংগাচরণ রাজবংশী ছিলেন জাদুশিল্পী শাহিন শাহর ব্যক্তিগত গাড়িচালক। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাঁর বড় ভাই মিঠু রাজবংশীর ফোনে একটি কল আসে। সেই ব্যক্তি ফোনকলে জানান, তাঁর বাবাকে (গংগাচরণ রাজবংশী) বিজিবি গুলি করেছে এবং তিনি রামপুরা ব্রিজের ওয়াসা গেটের সামনে পড়ে আছেন। পরে তাঁর মা, এলাকার আরও দুই–তিনজনসহ তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, তাঁর বাবার বুকের ডান পাশে গুলি লেগে তা পিঠ দিয়ে বের হয়ে গেছে। পরদিন তাঁর বাবার মরদেহ পোস্তগোলা শ্মশানে সৎকার করা হয়।

বিশ্বজিৎ রাজবংশী তাঁর জবানবন্দিতে আরও বলেন, মামলার আসামি রেদোয়ানুল, রাফাত, রাশেদুল ও মশিউর এই হত্যায় জড়িত। তিনি তাঁর বাবা হত্যার বিচার দাবি করেনI

Tags: bangladesh july revolution international crimes tribunal law and court law and justice