সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকায় গণসংযোগে হামলার ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করে দুপুরে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কার কথা জানান।
আরিফুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমরা খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণায় যাই। নূরপাড়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে পৌঁছানোর পর বিএনপির স্থানীয় ৪৩ ওয়ার্ড নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। তার সঙ্গে ছিলেন মোহাম্মদ সেলিম মিয়া, মো. ইসরাফিল, মোহাম্মদ নাহিন, মোহাম্মদ রানা আহমেদ ও সোহেল আহমেদ।
তিনি জানান, এই হামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, জামায়াতের স্থানীয় কর্মী রিয়াজুল হোসেন ও সাইফুল ইসলামসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন এবং তাদের প্রকাশ্যে মারধর করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিজ ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা শঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, ওসমান হাদি যেমন সাধারণ মানুষ ছিলেন। তেমনই আমি ও আমাদের নেতাকর্মীরা সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা এবং আমরা সাধারণ মানুষদের নিয়েই চলি। নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় আমি নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি।
তিনি অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার নেতাকর্মীরা আব্দুল্লাহপুরে শাপলা কলির নির্বাচনি কার্যালয়ের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে ও খিলক্ষেতে নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধনের সময় নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
বিএনপি প্রার্থী সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে অভিযোগ করে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরও বলেন, সোমবার বিকালে উত্তরার আজমপুর থেকে আমরা একটি গণমিছিলের আয়োজন করেছি। কিন্তু, একই স্থানে বিকাল ৩টায় প্রস্তুতি কর্মসূচি দিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর। একই স্থানে কর্মসূচি দিয়ে একটা সংঘাতের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকায় ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্ভুক্ত খিলক্ষেতের ডুমনী এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণায় জামায়াত-এনসিপি ১১ দলীয় জোটপ্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ হামলার জন্য স্থানীয় ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার মোল্লাকে দায়ী করেন আরিফুল ইসলাম।