আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠান
চীনের জিংজিয়াং নানইয়াং শিপইয়ার্ডে ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’ জাহাজটি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এই হস্তান্তর কার্যক্রমে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, নানইয়াং শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিন্যাস সংস্থা লয়েডস রেজিস্টারের (এলআর) প্রতিনিধি এবং জাহাজ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
নাম পরিবর্তন ও বাণিজ্যিক যাত্রা
বিএসসি সূত্র অনুযায়ী, জাহাজটি এর আগে ‘এক্সসিএল লায়ন’ নামে পরিচিত ছিল। মালিকানা পরিবর্তনের পর এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করার কথা রয়েছে। আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের পর ইতোমধ্যে মাস্টারের কাছে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিএসসির নিজস্ব অর্থায়নে অর্জন
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কমডোর মাহমুদুল মালেক এই বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন তাদের ৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিজস্ব অর্থায়নে দুটি জাহাজ কিনলো। এর আগে কেনা প্রথম জাহাজটির নাম ছিল ‘বাংলার প্রগতি’। সেটি গত বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝিতে বুঝে পেয়ে ব্যবসায় নিয়োগ করা হয় এবং তা থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ কোটি টাকা আয় হয়েছে। তিনি জানান, ‘বাংলার নবযাত্রা’ জাহাজটি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ২৭ জানুয়ারি লন্ডনে বুঝে পেয়েছেন এবং ২৯ জানুয়ারি শিপইয়ার্ডে বুঝে নিলেন।
দৈনিক ২৫ লাখ টাকা আয়ের লক্ষ্য
কমডোর মাহমুদুল মালেক আরও জানান, নতুন জাহাজ ‘বাংলার নবযাত্রা’ আপাতত সিঙ্গাপুরের আকিজ শিপিংকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। তারা দৈনিক ২০ হাজার ডলার ভাড়া দেবে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে বিএসসির আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।