• ব্যবসায়
  • ঢাকা আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ফেয়ারে রেকর্ড সাড়া, ৪৫০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ; সম্ভাবনাময় শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত

ঢাকা আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ফেয়ারে রেকর্ড সাড়া, ৪৫০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ; সম্ভাবনাময় শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত

ব্যবসায় ১ মিনিট পড়া
ঢাকা আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ফেয়ারে রেকর্ড সাড়া, ৪৫০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ; সম্ভাবনাময় শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত

১৯ দেশের আধুনিক প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শনীর শেষ দিনেও ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়, রপ্তানি আয় বৃদ্ধির আশা

রাজধানী ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB)-তে আয়োজিত ১৮তম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ফেয়ার-২০২৪ (IPF) ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। দেশের প্লাস্টিক শিল্প এবং এই খাতের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও পণ্যের প্রদর্শনীর কারণে মেলাটি দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে রেকর্ড পরিমাণ সাড়া পেয়েছে।

মেলায় অংশগ্রহণ ও প্রদর্শিত প্রযুক্তি চার দিনের এই মেলায় বাংলাদেশসহ মোট ১৯টি দেশের ৪৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন দেশের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, নতুন ডিজাইন ও মেশিনারিজ উপস্থাপন করা হয়। বিশেষত, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে কার্যকর বিকল্পের ব্যবহার এবং পণ্য পুনর্ব্যবহার বা রিসাইক্লিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজক এবং শিল্প সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক মেলা বাংলাদেশের প্লাস্টিক শিল্পের প্রসারে ও বিশ্ব বাজারে এর অবস্থান মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রপ্তানি আয়ে প্লাস্টিক খাতের অবদান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্লাস্টিক শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং দ্রুত বর্ধনশীল খাত। বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজিএমইএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেই প্লাস্টিক পণ্যের বার্ষিক চাহিদা বর্তমানে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর পাশাপাশি বিদেশেও প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি দ্রুত বাড়ছে। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে প্লাস্টিক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছিল প্রায় ১৩০ কোটি ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সক্ষম বলে আশা করা হচ্ছে।

শিল্পের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের প্লাস্টিক শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী। তারা মনে করেন, বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্যের মান এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে একই সাথে এই শিল্পকে পরিবেশবান্ধব করতে রিসাইক্লিং প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারলে আগামীতে এই খাত থেকে আরও বেশি পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

Tags: titas-gas gas shortage lng terminal bangladesh gas supply dhaka gas problem