তিনি বলেন, আমি এতে ক্ষুব্ধ। অপতথ্য দেবেন না।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।
এর আগে বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক আলাপের সময় তিনি বলেছিলেন, ভোটের সময় টাকা বহনের নির্দিষ্ট সীমা নেই। সোর্স ও ব্যবহারের বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে পাঁচ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই। তবে ওই টাকা যদি ভোটে কাউকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়টি দেখবে ‘নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’। টাকা যদি অবৈধ হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সন্ধ্যায় এ বক্তব্যকে মিসকোট করা হয়েছে দাবি করে ইসি সচিব বলেন, আমাকে কোট করে বলা হচ্ছে যে আমি নাকি বলেছি, পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে গেলেও কোনো অসুবিধা নেই। এ কথা বলার এখতিয়ার, অধিকার বা ক্ষমতা আমার নেই। আমি এটা বলিনি। আমার বক্তব্য মিসকোট করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা অর্থ ইন্টারসেপ্ট (জব্দ/আটক) করেছেন, তারা এর উৎস, পরিমাণ এবং উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। এখানে আইনের ব্যাখ্যা তারাই দেবেন। আমি কোন অধিকারে টাকার ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে দেব? দয়া করে এ অপতথ্য সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসুন।