রাজধানী ঢাকার আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং শুষ্ক আবহাওয়ার প্রভাবে দিনের রোদের তীব্রতা বাড়বে এবং গরমের অনুভূতি কিছুটা বেশি অনুভূত হতে পারে। আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রকাশিত আগামী ৬ ঘণ্টার এক বিশেষ ‘Weather Forecast’-এ এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকার আবহাওয়া ও তাপমাত্রা পরিস্থিতি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী সময়ে ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। এ সময় পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসের এই গতিবেগ খুব একটা বেশি না হওয়ায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি বাড়তে পারে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় ঢাকায় ‘Temperature’ রেকর্ড করা হয়েছে ২১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার (Humidity) পরিমাণ ছিল ৭৬ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি। আজ দিনের তাপমাত্রা গতকালের তুলনায় আরও সামান্য বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারাদেশের আবহাওয়ার চিত্র কেবল ঢাকা নয়, সারাদেশের আবহাওয়ার চিত্রও প্রায় একই রকম। গতকাল রাতে প্রকাশিত জাতীয় বুলেটিনে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা (Day and Night Temperature) সামান্য বাড়তে পারে। অর্থাৎ, বসন্তের স্নিগ্ধতা কাটিয়ে প্রকৃতি ধীরে ধীরে গ্রীষ্মের প্রখরতার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ঢাকার আবহাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে। আর আগামীকাল শনিবার ভোরে সূর্যোদয় হবে ৬টা ১৬ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি, যা এই শুষ্কতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপমাত্রার এই পরিবর্তনের ফলে জনজীবনে অস্বস্তি বাড়তে পারে। বিশেষ করে দুপুরের দিকে বাইরে বের হলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ধুলোবালির প্রকোপও বাড়তে পারে, যা অ্যালার্জি বা শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য কিছুটা সমস্যার কারণ হতে পারে।