শনিবার (৭ মার্চ) সকালে স্বায়ত্তশাসিত ওই অঞ্চলের তিনটি পৃথক অবস্থানে এই হামলা চালানো হয়।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো যদি ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের কঠোরভাবে দমন বা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এই অভিযানকে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে তেহরান।
এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ৬ হাজার ৬৬৮টি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে।
রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় রয়েছে: ৫ হাজার ৫৩৫টি আবাসিক ভবন বা ইউনিট; ১ হাজার ০৪১টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান; ১৪টি চিকিৎসা কেন্দ্র; ১৩টি রেড ক্রিসেন্ট সংশ্লিষ্ট সেবা কেন্দ্র।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালীন ত্রাণবাহী ও উদ্ধারকারী বেশ কিছু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এসব হামলায় রেড ক্রিসেন্টের কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই ভয়াবহ পরিস্থিতির খবর নিশ্চিত করেছে। সূত্র: আল–জাজিরা