এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র অনেক সামরিক ঘাঁটি খালি করে কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে।
এর ফলে মার্কিন সেনাদের জন্য আবাসন সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় হোটেল ও ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে থাকছেন তারা।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, আবাসিক এলাকায় অবস্থান নেওয়া মার্কিন সেনাদের তথ্য জানাতে মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখা।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাজার হাজার মার্কিন সেনা হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে অবস্থান করছে। ওয়াশিংটন তাদের আরব ভাইদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমেরিকানদের শনাক্ত করতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তাই হোটেলগুলোতে তাদের আশ্রয় না দেওয়া এবং তাদের অবস্থান থেকে অন্যদের দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আত্মগোপনে থাকা মার্কিন সেনাদের অবস্থান জানাতে জনগণকে টেলিগ্রামের মাধ্যমে তথ্য পাঠানোর আহ্বানও জানানো হয়।
এদিকে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে হামলায় ফ্রান্সের একজন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ইরবিল অঞ্চলে ফরাসি বাহিনীর ওপর হামলা অগ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
এর আগে ফ্রান্সের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ওই অঞ্চলে ইরাকি অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী প্রশিক্ষণে থাকা ছয় ফরাসি সেনা ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন।
সোর্স: মিডল ইস্ট আই, তাসনিম নিউজ