• দেশজুড়ে
  • টাঙ্গাইল শহরে সংঘটিত ক্লুলেস ও দুর্ধর্ষ ছিনতাই মামলার রহস্য উদঘাটন ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার ও ১৭টি মোবাইল (আই ফোনসহ) উদ্ধার

টাঙ্গাইল শহরে সংঘটিত ক্লুলেস ও দুর্ধর্ষ ছিনতাই মামলার রহস্য উদঘাটন ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার ও ১৭টি মোবাইল (আই ফোনসহ) উদ্ধার

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
টাঙ্গাইল শহরে সংঘটিত ক্লুলেস ও দুর্ধর্ষ ছিনতাই মামলার রহস্য উদঘাটন ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার ও ১৭টি মোবাইল (আই ফোনসহ) উদ্ধার

এরশাদুল ইসলাম,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইল শহরে সংঘটিত ক্লুলেস ও দুর্ধর্ষ ছিনতাই মামলার রহস্য উদঘাটনসহ ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাই ও চুরি হওয়া ১৭টি মোবাইল (আই ফোনসহ) উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানায় এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানান অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন।

তিনি লিখিত বক্তেব্যে আরো জানান, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল কাদের মিয়া গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় হতে টাঙ্গাইল শহরে অটোগাড়ি যোগে আসার পথে বেবিস্ট্যান্ড পার হওয়ার পর জেলা প্রাণী হাসপাতালের মেইন গেটের সামনে উক্ত অজ্ঞাতনামা ২ জন বিবাদীদ্বয় তাদের হাতে থাকা চাপাতী দিয়ে বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার পকেটে থাকা নগদ ছয় হাজার টাকা ও অপপো এফ ১৫ ব্যান্ডের মোবাইল ফোন ছিনতাই করে চলে যায়। উক্ত বিষয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল কাদের মিয়া গত ২১ এপ্রিল টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ৫১।

এরই প্রেক্ষিতে সদর থানা পুলিশের এর একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, গ্লোবাল লোকেশন ট্র্যাকিংসহ নানা কৌশল প্রয়োগ করে ছিনতাইকারীদেরকে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করেন। ঘটনাটি সংগঠিত হওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সনাক্তকৃত ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সহিত জড়িত ছিনতাইকারী শহরের কচুয়াডাঙ্গা গ্রামের আবু বকর ছিদ্দিকের ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (৩৬), থানাপাড়ার আফজাল হোসেন ওরফে আব্দুল হাইয়ের ছেলে সম্রাট (৩৮) ও টাঙ্গাইল সদর থানার হাতিলা গ্রামের জামালুর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান (৪৬) কে গ্রেফতার করে।

পরে আসামী মনিরুজ্জামান এর হেফাজত হইতে মালিকানার বৈধ কাগজপত্র ছাড়া আরো বিভিন্ন মডেলের ১৬ টি ছিনতাই/চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।