গার্দিওলার বিশেষ জয়
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ-এর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শক্তিশালী লিভারপুল-এর মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচটি ছিল সিটি কোচ পেপ গার্দিওলার কোচিং ক্যারিয়ারের ১০০০তম ম্যাচ। এমন এক বিশেষ দিনে তার শিষ্যরা ইতিহাদ স্টেডিয়াম-এ তাকে এনে দিলেন দারুণ এক জয়। লিভারপুল-কে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে এই স্পেশাল ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন সিটিজেনরা।
এই বিশাল জয়ের সুবাদে ম্যানচেস্টার সিটি ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিল-এর দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তারা এখন টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে মাত্র ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে। অন্যদিকে, সমান সংখ্যক ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুল নেমে এসেছে অষ্টম অবস্থানে, যা তাদের পারফরম্যান্স-এর ওপর বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে।
হলান্ডের পেনাল্টি মিসের পর গোল
ম্যাচের শুরুতেই ম্যানচেস্টার সিটি লিড নেওয়ার সুযোগ পায়। ত্রয়োদশ মিনিটে প্রাপ্ত পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান দলের মূল স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। কিন্তু লিভারপুল-এর গোলকিপার জর্জি মামারদাশভিলি দারুণ নৈপুণ্যে তার শট রুখে দেন, যা কিছুক্ষণের জন্য হলান্ডকে হতাশ করে।
তবে হলান্ড বেশিক্ষণ সেই হতাশা নিয়ে থাকেননি। ২৯ মিনিটে মাতেউস নুনেসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করে তিনি কেবল দলের লিড এনে দেননি, চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে নিজের ১৪তম গোলটিও পূর্ণ করেন।
নিখুঁত ফিনিশিং ও ব্যবধান বৃদ্ধি
প্রথম গোলের পর ম্যানচেস্টার সিটি-র আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে সিটির ব্যবধান ২-০ করে দেন নিকো গনসালেস, যা লিভারপুল শিবিরকে চাপে ফেলে দেয়।
বিরতির পর লিভারপুল ম্যাচে ফিরে আসার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটি-র শক্তিশালী ডিফেন্স তাদের সব আক্রমণ ব্যর্থ করে দেয়। ৬৩ মিনিটে জেরেমি অসাধারণ এক গোল করে দলের হয়ে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন এবং স্কোরলাইন ৩-০ করেন। শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠে এই বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি। এই জয় টাইটেল রেস-এ তাদের অবস্থান আরও মজবুত করল।