আবুধাবি টি-টেন লিগের আসন্ন আসরে খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অনাপত্তিপত্র (NOC) পেয়েছেন ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের এই ঝোড়ো আসরে পুরোটা সময় থাকার সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি। জাতীয় দলের দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাকে মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলার পরই দেশে ফিরতে হবে।
শর্তযুক্ত অনাপত্তিপত্র আসন্ন আবুধাবি টি-টেন লিগে এস্পিন স্ট্যালিয়ন্সের হয়ে মাঠ মাতানোর কথা রয়েছে সাইফ হাসানের। আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের জন্য তিনি বিসিবির ছাড়পত্র পেলেও এর মেয়াদ থাকছে মাত্র ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশ জাতীয় দল বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলছে, যা শেষ হওয়ার পর তিন ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে। আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে আইরিশদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কারণে, তার আগেই সাইফকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে হবে। টি-টেন লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩০ নভেম্বর। ফলে টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ শেষাংশে খেলার কোনো সুযোগই থাকছে না তার।
ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বনাম জাতীয় দলের দায়িত্ব সাইফ হাসান সীমিত পরিসরে ছাড়পত্র পেলেও টি-টেন লিগে দল পাওয়া আরেক বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানার ভাগ্য ততটা সুপ্রসন্ন নয়। ভিস্তা রাইডার্স তাকে দলে ভেড়ালেও এই আসরে খেলার জন্য বিসিবির NOC পাননি তিনি। বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে व्यस्त থাকা নাহিদকে সাদা পোশাকের সিরিজ শেষে জাতীয় ক্রিকেট লিগে (NCL) খেলার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তরুণ ক্রিকেটারদের দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে মনোযোগী করতে বিসিবির এই সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো যে, বোর্ডের কাছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের চেয়ে জাতীয় দলের দায়িত্ব ও ঘরোয়া কাঠামোর গুরুত্ব অনেক বেশি।
টি-টেনে বাংলাদেশের তারকা দ্যুতি কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এবারের টি-টেন লিগে বাংলাদেশের উপস্থিতি বেশ উজ্জ্বল। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান রয়্যাল চ্যাম্পসের মতো শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেবেন, যা টুর্নামেন্টে বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে। তার উপস্থিতি এবং সাইফ হাসানের অংশগ্রহণ আবুধাবির ক্রিকেট মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকাকে সমুন্নত রাখবে বলেই আশা করা হচ্ছে।