• আন্তর্জাতিক
  • পেরুতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ২০০ মিটার খাদে পড়ে নিহত ৩৭, আহত ২৬

পেরুতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ২০০ মিটার খাদে পড়ে নিহত ৩৭, আহত ২৬

আন্তর্জাতিক ১ মিনিট পড়া
পেরুতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ২০০ মিটার খাদে পড়ে নিহত ৩৭, আহত ২৬

দক্ষিণাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় মর্মান্তিক রোড অ্যাক্সিডেন্ট; সাম্প্রতিক লাতিন আমেরিকার অন্যতম ভয়াবহ বিপর্যয়।

আরেকুইপায় ভয়াবহ রোড ট্র্যাজেডি

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের পার্বত্য এলাকা আরেকুইপার কাছে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে পড়ে গেলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি (Accident) ঘটে। এই ঘটনায় আরও ২৬ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বুধবার এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের (Disaster) খবর নিশ্চিত করেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরেকুইপার আঞ্চলিক স্বাস্থ্য প্রধান ওয়ালথার ওপোর্তো নিশ্চিত করেন, ঘটনাস্থলেই ৩৬ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজন মারা যান। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান (Rescue Operation) শুরু করে।

কর্তৃপক্ষ এটিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লাতিন আমেরিকায় ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি এবং পেরুর ইতিহাসে অন্যতম মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

২০০ মিটার গভীর খাদে পতন ও হতাহতের সংখ্যা

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে থাকা ২৬ জনকে আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে একজন আট মাস বয়সী শিশু এবং আরও দুইজন শিশু রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, বাসটি উপকূলীয় শহর চালা থেকে আরেকুইপা অঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একটি ছোট ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি প্রায় ২০০ মিটার (প্রায় ৬৫৬ ফুট) গভীর খাদে পড়ে যায়। খাদটির গভীরতা এবং তীব্রতা এই ব্যাপক প্রাণহানির প্রধান কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকারের প্রকাশিত ছবিগুলো এই দুর্ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরেছে। ছবিতে দেখা যায়, খাদটির তলদেশে বাসটি উল্টে পড়ে আছে এবং এর চারপাশে গাড়ির যন্ত্রাংশসহ যাত্রীদের মালপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি ‘লিয়ামোসাস’ (Llamas) নামের একটি পরিবহন কোম্পানির মালিকানাধীন ছিল। তবে, দুর্ঘটনার বিষয়ে পরিবহন কোম্পানিটি এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।