শুক্রবার বেলা ১০টা ৩৮ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে; যার উৎপত্তিস্থল নরসিংদী বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। নরসিংদী ও গাজীপুর পাশাপাশি জেলা। ফলে গাজীপুরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ডের ঝাঁকুনিতে আতঙ্কে ঘরবাড়ি, অফিস, কারখানা ছেড়ে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।
গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. মামুনুর রহমান বলেন, জেলায় মোট ৪০০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৬ জন, ছোটখাটো আঘাত নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯৭ জন। টঙ্গীতে চিকিৎসা পেয়েছেন ৯০ জন। গুরুতর আহত ৪৩ জনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ ছাড়া শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কাপাসিয়া ও গাজীপুর সদরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন বলেন, গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় হাসান তানভীর গার্মেন্টসে কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। শ্রীপুরের ডেনিম্যাক গার্মেন্টসে আরও শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন।
মহানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড চাকুলিয়া এলাকায় চারতলা ভবন হেলে পড়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর প্রেসক্লাব ভবনেও ফাটল দেখা দিয়েছে। শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে মোট ৮২ জন আহত রোগী এসেছেন। এর মধ্যে ভর্তি হয়েছেন ৫৫ জন। তাদের সবাই মূলত দৌড়াদৌড়ি ও আতঙ্কে পড়ে আহত হয়েছেন। হাসপাতালের পুরাতন ওয়ার্ড ভবনের একাংশে ফাটল দেখা গেছে।
সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সরফ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “নগরবাসীর সুরক্ষা ও সেবা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ভূমিকম্পের পরপরই ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে।”
সেটি হচ্ছে- নগর ভবন- দ্বিতীয় তলা, কক্ষ নং- ২০১/ টেলিফোন: ০২-২২২৪৪২৪০৭০/ মোবাইল: ০১৭১২৮৩৬৮৭৩, ০১৯১৫৬৭৬৮৩২ ই-মেইল: [email protected] সিটি করপোরেশন সচিব মো. আমিন আল পারভেজ বলেন, “বিদ্যুৎ, পানি, স্যানিটেশন, ভবনে ফাটল- যেকোনো অভিযোগে আমরা এখনই সাড়া দিচ্ছি।”