দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (Assistant Teacher) নিয়োগের জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকা লাখো প্রার্থীর জন্য এসেছে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) সূত্রে খবর, আগামী বছরের (২০২৬) জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। দেশের Recruitment Process-এ এটি বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম।
লিখিত পরীক্ষার দিনক্ষণ: ২ বা ৩ জানুয়ারি
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান পরীক্ষার সময়সূচি প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দেন। তিনি জানান, পরীক্ষাটি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই আয়োজনের পরিকল্পনা চলছে।
অধিদপ্তরের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, গণমাধ্যমকে আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, প্রথম ধাপের Written Examination-টি ২ অথবা ৩ জানুয়ারি (শুক্রবার বা শনিবার) অনুষ্ঠিত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুটি তারিখকে মাথায় রেখেই অধিদপ্তর তাদের প্রশাসনিক ও Logistical Challenge মোকাবিলার জন্য নিবিড় প্রস্তুতি নিচ্ছে। সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়ার সাথে সাথেই সকল আবেদনকারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রস্তুতি পর্ব: আসনবিন্যাস চূড়ান্তকরণের তোড়জোড়
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ইতিমধ্যেই পরীক্ষার Seating Arrangement চূড়ান্ত করার জন্য দেশের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পক্ষকে চিঠি পাঠিয়েছে। এতো সংখ্যক প্রার্থীর জন্য সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা একটি বড় আকারের Administrative Task। অধিদপ্তর সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাইছে।
নিয়োগের পরিসংখ্যান: উচ্চ প্রতিযোগিতার চিত্র
অধিদপ্তর সূত্র অনুযায়ী, গত ৫ নভেম্বর সহকারী শিক্ষকের প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই ধাপে দেশের ছয়টি বিভাগ—রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ—এর জেলাগুলোর জন্য মোট ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল।
আবেদনকারীর সংখ্যা রীতিমতো তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। প্রথম ধাপে এই সীমিত সংখ্যক পদের জন্য মোট ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯ জন (Seven lakh forty-five thousand nine hundred twenty-nine) প্রার্থী আবেদন করেছেন। অর্থাৎ, প্রতি পদের বিপরীতে প্রায় ৭৩ জনেরও বেশি প্রার্থী প্রতিযোগিতা করছেন। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে যে, চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত Competitive Exam হতে চলেছে।
Digital Platform ও সামাজিক মাধ্যমে এই খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্রার্থীরা এখন তাদের চূড়ান্ত প্রস্তুতির ওপর মনোযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। Merit এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।