ডিএনসিসি প্রশাসকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (DNCC) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও নানাবিধ গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য মাঠে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই সদস্যের একটি ইনভেস্টিগেশন টিম (Investigation Team) গঠন করেছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমানকে প্রধান করে এই দুই সদস্যের টিম গঠন করা হয়। অনুসন্ধান দলে আরও রয়েছেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক সুবিমল চাকমা। দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নথিপত্র চেয়ে চিঠি ও অভিযানের প্রস্তুতি
অনুসন্ধানের স্বার্থে গঠিত এই টিম আগামী ১/২ দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ (DNCC) সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও নিশ্চিত করেছে যে, নথিপত্র পাওয়ার পর তদন্তের গতি দ্রুত করতে ডিএনসিসিতে যেকোনো সময় অভিযান (Raid) পরিচালনা করতে পারে দুদক।
অভিযোগ: ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ গ্রহণ
দুদকের অনুসন্ধান সিদ্ধান্তের সংক্ষিপ্ত শিরোনামে মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, তা বেশ গুরুতর। চিঠিতে বলা হয়েছে: "ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ।"
দুদকের পরিচালক (দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল) ঈশিতা রনি স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠির অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর জানা যায়, এই বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগটি অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালক (তদন্ত-১) বরাবর প্রেরণের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আলোকেই অনুসন্ধানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
স্বতন্ত্র এডমিনিস্ট্রেটিভ বডির প্রধানের বিরুদ্ধে এই ধরনের উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রান্সপারেন্সি ও অ্যাকাউন্টেবিলিটির ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর অবস্থানকে তুলে ধরে।