• দেশজুড়ে
  • টাঙ্গাইলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’, আলোচনায় সিদ্দিকীরাও

টাঙ্গাইলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’, আলোচনায় সিদ্দিকীরাও

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
টাঙ্গাইলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’, আলোচনায় সিদ্দিকীরাও

মনোনয়ন পরিবর্তন না হলে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির একাধিক নেতা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনের মধ্যে কয়েকটি আসনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিএনপিতে মতবিরোধ রয়েছে। বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

মনোনয়ন পরিবর্তন না হলে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির একাধিক নেতা। দুটি আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী এবং তার বড় ভাই আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী-সমর্থকদের ‘সরব উপস্থিতি’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ফলে এ দুটি আসনে বিএনপি ও অন্য দলের প্রার্থীকে ‘শক্ত’ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হতে পারে। টাঙ্গাইল-১, টাঙ্গাইল-৩, টাঙ্গাইল-৪ ও টাঙ্গাইল-৮ আসনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভাজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন লুৎফর রহমান মতিন। তবে জনপ্রিয় নেতা মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। ফলে এই আসনে প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে।

টাঙ্গাইল-৮ এ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম নির্বাচন করবেন বলে দলের নেতাকর্মীরা বলছেন। দুইবারের সাবেক সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকীর উপস্থিতির কারণে বিএনপির প্রার্থীকে একদিকে দলের ভেতরের বিদ্রোহী, অন্যদিকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী-দুই দিক থেকেই চাপ মোকাবিলা করতে হবে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা না হলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্ব তৎপর। টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, “জেলার ১২টি উপজেলায় আটটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সাতটিতে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিএনপি নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে।”

তিনি বলেন, “টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনেও তৃণমূলের পছন্দসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।” জেলার সংসদীয় আসনগুলোর সবকটিতে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসও আটটি সবকটিতে, গণঅধিকার পরিষদ তিনটি ও গণসংহতি আন্দোলন দুইটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বলে জানা গেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি আটটি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে কোনো আসনেই জাতীয় পার্টির তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।

Tags: বিএনপি টাঙ্গাইল