তিনি বলেন, অতীতে স্বামী মারা গেলে স্ত্রী ১৫ বছর পেনশন পেতেন। কিন্তু ১৯৯০ সালে বিএনপির নির্বাচনে ইশতেহারে স্বামী মারা গেলে স্ত্রী যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন পেনশনের টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তা বাস্তবায়ন করেছিলেন। এটা আমাদের পুরানো নীতি। আবারও ক্ষমতায় গেলে এই নীতি বাস্তবায়ন করবো।
অতীতেও আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি। ভবিষ্যতেও সে ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়ন কাজে লাগিয়ে তিনি প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দেবেন। এর চুল পরিমাণ বিচ্যুতি হবে না।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি নির্বাচন করতে চাই, তাহলে দলের প্রস্তুতি ও সভা-সমাবেশ করতে দিতে হবে। না হলে নির্বাচন আকাশের তারা হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দূর থেকে প্রযুক্তির মাধ্যমে তৃণমূলে সবার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তিনি যখন মনে করবেন, তখনই দেশে আসবেন—এতে কোনও বাধা হবে না। কারণ তিনি দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।