তিনি বলেন, আজকে প্রধান উপদেষ্টা সারা দেশে যত ইউএনও আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। উনি নির্বাচনের গুরুত্ব আবারও বলেছেন। এটা যে ঐতিহাসিক এবং স্মরণীয় নির্বাচন— এ বিষয়ে সবাইকে বলেছেন যে এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে।
আপনি দেখেছেন যে সব ধরনের প্রস্তুতি এই সরকার নিচ্ছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
গণভোটের প্রচারণা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, আমরা ইতোমধ্যে অনেক জায়গায় প্রচারণা দেখছি—মানুষের মধ্যে অনেক অনেক বেশি সচেতনতা আছে। মানুষ জানতে পারছে আসলে হ্যাঁ-না ভোটটা কী।
এটা যে একটা প্যাকেজ। প্যাকেজের মধ্যে আপনি যে প্যাকেজটাকে হ্যাঁ বলছেন, আর আপনি যদি প্যাকেজটা গ্রহণ না করেন, তাহলে না। এটা আমরা অনেকে, আমি নিজে চায়ের টেবিলের আড্ডায়… আমি গত শুক্রবার মাগুরায় গিয়েছিলাম। দেখেছি এটা নিয়ে আলোচনা।
কিন্তু আমাদের তরফ থেকে, সরকারের তরফ থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য যত উইং আছে, এছাড়া ইলেকশন কমিশন, তারা এ বিষয়ে বিপুল উদ্যমে প্রচারণা চালাবেন। আমরা আশা করছি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা থাকেন, তারা সবাই জানতে পারবেন—এই গণভোটটা কীভাবে, কী কারণে করা হচ্ছে এবং কীভাবে এই হ্যাঁ অথবা না ভোটটা দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের এখনও বলবো, মানে মিড ফেব্রুয়ারি যদি আমি বলি, তাহলে দুই মাসের একটু বেশি আমাদের সময় আছে। আমার মনে হয় যথেষ্ট সময় আছে এবং সে বিষয়ে আমরা এই সরকার যথেষ্ট প্রিপারেশন নিচ্ছে, ইলেকশন কমিশন নিচ্ছে।
আপনারা দেখছেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়েও আমাদের যারা ডায়াসপোরা ভাইবোন আছেন, তাদের মধ্যে কী একটা উদ্যম, একটা জোয়ার বইছে। তারা অলরেডি আমার মনে হয়—আজকে আপনার যদি দেখেন ৩ লাখের বেশি অলরেডি রেজিস্টার্ড হয়ে গিয়েছেন।
শফিকুল আলম বলেন, আমরা সরকারের তরফ থেকে সবসময় একই কথা বলছি—নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধ্বে হবে। আমাদের সরকার বলছে এবং আমরা যখন গ্রামে বা বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্ট টাউনে যাই, আমরা দেখেছি—সেখানেও নির্বাচনের জোয়ার বইছে।
কিন্তু সমস্যা হয়েছে যে কিছু কিছু তথাকথিত কমেন্টেটর যারা ইউটিউবে বা বিভিন্ন টিভিতে বসে এই কনফিউশনগুলো ছড়িয়েছে। হ্যাঁ, তাদের মধ্যে তথাকথিত কিছু সিনিয়র সাংবাদিকও আছেন, তারা প্রতি মুহূর্তেই এই কথা ছড়াচ্ছেন। এতে আমরা দেখেছি ওনারা হয়তোবা কিছু এক্সট্রা ভিউ পাচ্ছেন।