গোপালগঞ্জে নির্বাচনী জনসভা (Election Rally) শেষে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হয়েছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মিকাইল হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার সাতপাড় এলাকায় গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. কে এম বাবর আলির নির্বাচনী জনসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অংশ নেন মো. মিকাইল।
পরে নির্বাচনী জনসভা শেষ করে সন্ধ্যার পর ফেরার পথে পাটকেল বাড়ি এলাকায় এলে তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
শতাধিক অপরিচিত লোক ও ছাত্রলীগের কর্মী জড়িত?
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মিকাইল হোসেন সাংবাদিকদের কাছে হামলার বিবরণ দেন।
তিনি বলেন, “আমাদের বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত গোপালগঞ্জ-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. কে এম বাবর আলীর সাতপাড় এলাকায় জনসভা শেষ করে ফেরার পথে পাটকেল বাড়ি এলাকায় এলে প্রায় শতাধিক অপরিচিত লোকজন দেশীয় লাঠিসোঁটা নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়।”
মিকাইল হোসেন আরও বলেন, “হামলাকারীদের মধ্যে শহরের মিয়াপাড়া বাসা ও শহরের চৌরঙ্গী মোসলেম প্লাজার দোকান রিয়েল ফ্যাশানের মালিকের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী আরহামকে আমি চিনতে পেরেছি। বাকি লোকদের চিনতে পারিনি, কারণ এলাকাটি অন্ধকার ছিল।”
প্রশাসনের কাছে গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপি প্রার্থীর
এই হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ডা. কে এম বাবর আলী। তিনি হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, “ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপিকে নির্বাচনী প্রচারণার কাজে বাধা দিয়েছে। তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক, জনস্রোতে তা ভেসে যাবে।” তার দাবি, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রমে এভাবে হামলা চালানো Democratic Process-এর পরিপন্থী।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান বলেন, “থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ (Written Complaint) পাইনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”