যশোর জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং জেলা ইউনিটের উপ-প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক লুৎফর কবীর বিজুকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক মামলায় তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গ্রেপ্তারের স্থান ও সময়
পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে শহরের আরএন রোড এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তারের পরপরই তাঁকে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়। পরে শুক্রবার দুপুরে তাঁকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য: কেন এই পদক্ষেপ?
এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল। তিনি জানান, বিএনপি সংশ্লিষ্ট একটি গাড়ি পোড়ানোর ঘটনার মামলায় লুৎফর কবীর বিজুর জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য হাতে আসে পুলিশের।
ইন্সপেক্টর কাজী বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, "প্রাথমিক তদন্তে আমরা লুৎফর কবীর বিজুর ওই নাশকতার ঘটনায় সরাসরি সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সপক্ষে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকায় তাঁকে সংশ্লিষ্ট মামলায় (বিএনপির গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"
পুলিশের এই পদক্ষেপ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাৎক্ষণিক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। জেলা আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলা ও গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি এখন যশোরসহ গোটা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়, সেদিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।