আলজাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে দেশে ৮০ জন 'আততায়ীর' অনুপ্রবেশের তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, পার্শ্ববর্তী দেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা এই অনুপ্রবেশে সহায়তা করেছে। এই আততায়ীরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে প্রবেশ করেছে।
নির্বাচন বানচাল ও সহিংসতা ঘটানোর পরিকল্পনা
ফেসবুক পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের উল্লেখ করেন, "আন্ডারওয়ার্ল্ড, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর অঞ্চলের চরমপন্থী গ্রুপ এক হয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতা, এলাকার জনপ্রিয় নেতাদের টার্গেট করে হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।" তাঁর মতে, এই গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচন বানচাল করা এবং দেশকে চরম অস্থিতিশীল করে তোলা। তিনি সকলকে একতাবদ্ধ থেকে এদের মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।
ভারতীয় কর্মকর্তা ও পলাতক আসামিদের যোগাযোগ
জুলকারনাইন আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গের একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা (যিনি সুব্রত বায়েনের হ্যান্ডলার ছিলেন), জামিনে থাকা পিচ্চি হেলাল এবং চরমপন্থী গ্রুপ গণমুক্তি ফৌজের প্রধান মুকুল সম্প্রতি টেলিফোন কনফারেন্সের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে এসব পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কনফারেন্সে সুব্রত বায়েন কারাগার থেকে তার মেয়ের মোবাইল ফোনে যুক্ত হন। পরবর্তীতে সুব্রত বায়েনের মেয়ে সিনথিয়া বিতু নেপালে পলাতক বিডিআর মামলার আসামি লেদার লিটন, পিচ্চি হেলাল, মুকুল, বাড্ডার বড় সাঈদ ও দিপুর সঙ্গেও কথা বলিয়ে দেন। এই যোগাযোগগুলোই প্রমাণ করে যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।