মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সমালোচনা
ইশরাক হোসেন বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে এসেও যারা স্বাধীনতাকে অস্বীকার করতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য করে বলছি—আমরা প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছি। আজ যারা বা যে কোনো রাজনৈতিক দল যদি আমাদের স্বাধীনতা, বিজয় এবং মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তবে আমাদের ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানো উচিত।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হলে তা হবে একটি মারাত্মক ভুল। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের অপকর্মকে বৈধতা দিতে মুক্তিযুদ্ধকে তাদের 'ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে' পরিণত করেছে। কিন্তু এর মানে কি এই যে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি? ১৯৭১ সালে কি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা চালায়নি? আল-বদর, আল-শামস এবং রাজাকার বাহিনীগুলো কি তখন ছিল না? তখনকার পত্রপত্রিকায় কি তাদের বক্তব্য ও ভূমিকার প্রমাণ আজও পাওয়া যায় না? তিনি আরও মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের মানুষ খুব ভালো করেই জানে, সে সময় তাদের ভূমিকা কী ছিল।
গণহত্যা মুছে ফেলা যাবে না
ইশরাক হোসেন আরও দাবি করেন, গত বছর স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ যে গণহত্যা চালিয়েছিল, ১৯৭১ সালের সেই গণহত্যা কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। এটি চিরন্তন সত্য, অনেক কিছু করা হলেও এই সত্যকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
জিয়াউর রহমানের ভূমিকা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি বিভক্ত বাংলাদেশ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও বিভাজনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। সে কারণেই যখন সব রাজনৈতিক দলকে পুনরায় গণতান্ত্রিক উপায়ে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হয়, তখন তার উদারতার ফলেই অনেক রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ফেরত পেয়েছিল।
আলোচনা সভার অন্যান্য অতিথি
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কে এস হোসেন টমাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ারী থানা বিএনপি আহ্বায়ক লিয়াকত আলী, কাজী আবুল বাসার, জাহাঙ্গীর শিকদার, ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রহিম ভূঁইয়া, জাসাস নেতা শিবা শানু, ৩৮নং ওয়ার্ড সভাপতি মনা, সাধারণ সম্পাদক শহীদ। এছাড়া স্থানীয় এলাকাবাসীও এতে অংশগ্রহণ করেন।