১৭ বছর পর দেশে ফেরা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যে যান। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর সকালে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। লন্ডন সময় ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি২০২ ফ্লাইটে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে জানা গেছে।
একই ফ্লাইটে ফিরতে নেতাকর্মীদের হিড়িক
দলীয় প্রধানের দেশে ফেরার খবরে নেতাকর্মীরা একই ফ্লাইটে টিকিট কাটার জন্য ভিড় জমান। জানা গেছে, নির্ধারিত ফ্লাইটটির টিকিট অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। বিজি২০২ ফ্লাইটে তারেক রহমানের সঙ্গে অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী ঢাকা ফিরতে পারেন।
বিমানবন্দরে ভিড় না করার অনুরোধ
লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তারেক রহমান দেশে ফেরার ঘোষণা দেন এবং নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, “আগামী ২৫ তারিখে ইনশাআল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে আমি দেশে ফিরে যাব। কিন্তু, এখানে উপস্থিত প্রত্যেক মানুষের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে কেউ আপনারা সেদিন এয়ারপোর্টে যাবেন না। কারণ, এয়ারপোর্টে গেলে একটি হট্টগোল তৈরি হবে। মানুষ জানবে যে এরা সবাই বাংলাদেশি। এতে দেশের ও দলের সুনাম নষ্ট হবে।”
গুলশানের বাড়ি প্রস্তুত
তারেক রহমান দেশে ফেরার আগে তার গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি প্রায় প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়ির দেয়ালে শুভ্র রং করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য কাঁটাতারের বেড়া, সিসিটিভি ক্যামেরা ও পুলিশ বক্স বসানো হয়েছে। ছোট গেট বদলে বড় গেট লাগানো হয়েছে। ভেতরের সংস্কারকাজও শেষের দিকে। কোনো কারণে পুরোপুরি প্রস্তুত না হলে পাশেই মায়ের ভাড়া বাসা 'ফিরোজা'য় উঠবেন তিনি। দেশে ফিরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে অফিস করবেন তারেক রহমান।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পরিবারের সদস্যরা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকায় আছেন। তাদের একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও বাবার সঙ্গে দেশে ফিরতে পারেন।