ব্যক্তিগত প্রতিবাদ ও পুলিশের বাধা
রাশেদ প্রধান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাঁর এই কর্মসূচি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নয়, এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে 'খুনি হাসিনাকে ফেরত' পাঠানো এবং ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ভারতীয় দূতাবাসে স্মারকলিপি দিতে গেলেও তাঁকে বারবার পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়েছে।
এবারের কর্মসূচিতে কোনো জনবল বা মিছিল না নিয়ে তিনি একা, নিরস্ত্র, পায়ে হেঁটে প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই প্রতিবাদে তিনি প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবেন।
অন্তর্বর্তী সরকার ও আওয়ামী লীগের প্রতি বার্তা
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে রাশেদ প্রধান বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকামী জনগণের পক্ষ থেকে ভারতীয় দূতাবাসের সীমানায় কর্তৃত্ব প্রতিরোধের প্রতীক 'কালো গোলাপ' প্রদান করে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রদর্শন করতে চাই। এই শান্তিপূর্ণ ও ব্যক্তিগত প্রতিবাদে বাধা দিতে হলে আমাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।”
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি আরও কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, “আমাকে থামাতে হলে আমার ভাই হাদির মতোই গুলি করতে হবে। বিজয়ের পথে যাত্রা শুরু, জীবন অথবা মৃত্যু।”