হামলা ও ভাঙচুরের বিস্তারিত গুলিবিদ্ধ 'ইনকিলাব মঞ্চের' আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর যে ক্ষোভ–বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, তার জের ধরে গেল বৃহস্পতিবার রাতে ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবনে এই ন্যক্কারজনক হামলা হয়। সংস্কৃতি চর্চার এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটির ছয়তলা ভবনের প্রতিটি তলায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।
লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ভাঙচুরের পাশাপাশি দুষ্কৃতকারীরা ভবনের নিচতলায় অগ্নিসংযোগও করে। এছাড়া, শ্রেণিকক্ষগুলোতে থাকা সিসি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা, কম্পিউটার, আসবাবপত্র ও বাদ্যযন্ত্র তছনছ করে দেওয়া হয়। হামলাকারীরা বেশ কিছু ল্যাপটপ এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও লুটপাট করে নিয়ে যায়।
মামলার অগ্রগতি ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ছায়ানট কর্তৃপক্ষের করা এই মামলায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম পীঠস্থানে এমন হামলায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।