• দেশজুড়ে
  • দিপু হত্যা মামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার আরও ২, রিমান্ড আবেদন

দিপু হত্যা মামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার আরও ২, রিমান্ড আবেদন

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই দুজন জনতাকে উস্কানি দিয়ে 'মব' সৃষ্টি করে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করেছিল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
দিপু হত্যা মামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার আরও ২, রিমান্ড আবেদন

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনা করে শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আজ, রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে। এ নিয়ে দিপু হত্যা মামলায় মোট ৫ জন গ্রেপ্তার হলো।

গণপিটুনি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা

নিহত দিপু চন্দ্র দাস (২৭) ভালুকার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেডের কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তিনি তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গণপিটুনিতে দিপু নিহত হন। এই ঘটনার পর উত্তেজিত শ্রমিক ও জনতা লাশ মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে অবরোধ করে এবং লাশে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং লাশ উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দিপু চন্দ্র দাসের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার তদন্তের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ধারণকৃত ভিডিও এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভালুকার হবিরবাড়ী এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তিনজন ও শনিবার রাতে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুজন হলেন আশিক (২৫) এবং কাইয়ুম (২৫)।

পুলিশ সুপারের বক্তব্য ও রিমান্ড আবেদন

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তারা স্লোগান দিয়ে উৎসুক জনতাকে উস্কানি দিয়ে 'মব' সৃষ্টি করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে এবং লাশ ঝুলিয়ে আগুন দেওয়ার মতো জঘন্য কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া এই দুজনকে রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

Tags: murder case arrest mymensingh bhaluka remand garments worker dipu chandra das mob lynching