দুর্বৃত্তরা সরকারকে জিম্মি করে ফেলেছে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় না নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, আইনের শাসনের পরিবর্তে দেশে এক ধরনের স্বেচ্ছাতন্ত্র কায়েম করা হয়েছে। জনজীবনে গভীর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্টস শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে মেরে আবার লাশ ঝুলিয়ে তা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা এ দেশে নজিরবিহীন বিভৎসতা। এ ধরনের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিচার না হলে বিভৎসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার ও প্রশাসনের অকার্যকারিতায় দেশজুড়ে মারাত্মকভাবে নৈরাজ্যের বিস্তার ঘটছে। ঘোষণা দিয়ে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবন, ছায়ানট ও উদীচীতে আগুনের ঘটনা প্রমাণ করে দেশে এখন মানুষের জানমাল ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বিধানের কেউ নেই। তিনি অনতিবিলম্বে সাম্প্রতিক সংঘটিত নজিরবিহীন নৃশংসতা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, আনছার আলী দুলাল, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, শহীদুল আলম নান্নু, রাশিদা বেগম, সজীব সরকার রতন, সিকদার হারুন মাহমুদ, এড. মাহবুবুল করিম টিপু, সাইফুল ইসলাম, মাসুদুর রহমান মাসুদ, স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, শেখ মোহাম্মদ শিমুল, নির্মল বডুয়া মিলন, শাহজাহান সিকদার, মীর রেজাউল আলম, ফিরোজ আলী, বাবর চৌধুরী, শাহীন আলম, জুঁই চাকমা প্রমুখ।
সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্টির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। অবিলম্বে তালিকা চূড়ান্ত করে নির্বাচনে পার্টির প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে সভার শুরুতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ উসমান হাদি ও ময়মনসিংহে নিহত দিপু চন্দ্র দাসের জন্য গভীর শোক প্রকাশ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।