ভোটে পুলিশের দাবি ও চ্যালেঞ্জ পুলিশ সুপাররা (এসপি) সভায় জানান, তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসামি ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছেন। তবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে, পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এবং যানবাহনের তীব্র সংকটের কারণে নির্বাচনে কাজ করা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনের বাজেট বৈষম্য তুলে ধরে তারা এবারের নির্বাচনে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান। এছাড়া, নির্বাচনের দিন অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহায়তার জন্য রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের যুক্ত করার প্রস্তাব দেন তারা।
জেলা প্রশাসকদের উদ্বেগ ও প্রস্তাবনা জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) বলেন, মাঠপর্যায়ে বৈধ অস্ত্র এখনো রিকভারি করা যায়নি, এ বিষয়ে তারা নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতা চান। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুত যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন ডিসিরা। তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) মাধ্যমে অপতথ্য প্রচারকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে, অগ্নিদগ্ধ হওয়া গাড়িগুলোর প্রতিস্থাপন এবং গণভোটের প্রচারের সময় বাড়ানোর দাবি জানান। একইসঙ্গে, সীমান্ত জেলাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।
সভা ও উপস্থিত কর্মকর্তা মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার ডিসি ও এসপিরা উপস্থিত ছিলেন।