২২ ঘণ্টায় ৩৭ লাখ টাকা সংগ্ৰহ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। নির্বাচন পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজে নেমে তিনি অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত ৭টা ৫৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি জানান, মাত্র ২২ ঘণ্টায় তার ফান্ডে ৩৭ লাখ টাকা জমা পড়েছে। এই সাড়াকে তিনি ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ হিসেবে উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
অর্থ সংগ্ৰহের লক্ষ্যমাত্রা ও দান করার মাধ্যম
ডা. জারা তার নির্বাচনী প্রচারণার জন্য মোট ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। ৩৭ লাখ টাকা সংগৃহীত হওয়ায় তিনি লক্ষ্যমাত্রার খুবই কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। আর মাত্র ৯ লাখ টাকা পেলেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফান্ডরেইজিং ক্যাম্পেইন বন্ধ করে দেবেন। অনুদান পাঠানোর জন্য তিনি একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস শেয়ার করেছেন। এর আগে তার বিকাশ অ্যাকাউন্টের লিমিট শেষ হয়ে যাওয়ায় আগ্রহী দাতাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডোনেট করার অনুরোধ জানানো হয়।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার
সংগৃহীত অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ডা. তাসনিম জারা কয়েকটি পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে প্রতিটি পয়সার হিসাব স্বচ্ছ হবে। তার গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিম্নরূপ:
১. তিনি কোনো ধরনের ক্যাশ ডোনেশন গ্রহণ করছেন না। সমস্ত অনুদান একটি মাত্র বিকাশ ও একটি মাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আসছে, যার রেকর্ড সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও যাচাইযোগ্য। ২. কোন মাধ্যম থেকে কত টাকা আসছে, সে তথ্য তিনি নিয়মিতভাবে প্রকাশ্যে জানাচ্ছেন। এই সংক্রান্ত সকল নথিপত্র নির্বাচন কমিশনের কাছেও জমা দেওয়া হবে পূর্ণ স্বচ্ছতা যাচাইয়ের জন্য। ৩. সংগৃহীত অর্থ কোন কোন খাতে এবং কতটুকু ব্যয় হবে, তার স্পষ্ট বিবরণ জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।
ডা. জারা জনগণের কাছ থেকে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য যে কোনো পরামর্শও আহ্বান করেছেন।