• দেশজুড়ে
  • নকশা অনুমোদনে ৫০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ, সিডিএতে দুদকের অভিযান

নকশা অনুমোদনে ৫০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ, সিডিএতে দুদকের অভিযান

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (সিডিএ) ভবনের নকশা ও ভূমি ছাড়পত্র অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা ও ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
নকশা অনুমোদনে ৫০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ, সিডিএতে দুদকের অভিযান

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (সিডিএ) ভবনের নকশা অনুমোদন ও ভূমি ছাড়পত্র পেতে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন এবং দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সিডিএ কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুমোদন হয়ে যাওয়ার পরও নথিপত্র আটকে রেখে আবেদনকারীকে হয়রানি করার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক।

ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ

দুদক জানায়, আবেদনকারী হাসান মুরাদ ২০২৩ সালে ভূমি ছাড়পত্র ও ভবনের নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তিনি ২০২৩ সালের মে মাসে ভূমি ছাড়পত্র এবং ২০২৪ সালের মে মাসে চূড়ান্ত নকশা অনুমোদন পান। কিন্তু অভিযোগ, অনুমোদন পাওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা অজুহাতে নথিপত্র আটকে রেখে আবেদনকারীকে হয়রানি করেছেন এবং অনুমোদনপত্র হস্তান্তর করেননি। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন ও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযুক্ত কর্মকর্তা যারা

এই ঘুষ দাবির অভিযোগে ডিলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট আলমগীর তালুকদার, সেকশন অফিসারসহ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে। এছাড়াও অথরাইজড অফিসার মোহাম্মদ হাসান ও সহকারী অথরাইজড অফিসার মোহাম্মদ ইলিয়াস আক্তারের নামও অভিযোগে রয়েছে।

দুদকের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ

অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম বলেন, নকশা অনুমোদনের পরও তা আবেদনকারীকে না দেওয়ার ক্ষেত্রে গাফিলতি ও সময়ক্ষেপণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, ঘুষের অভিযোগগুলো বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিডিএ চেয়ারম্যানের ব্যাখ্যা

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম এই অভিযানকে 'রুটিন কার্যক্রমের অংশ' হিসেবে উল্লেখ করে দুদককে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, অভিযোগকারী নকশা পাওয়ার আগেই ভবন নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন, যার ফলে ইমারত নির্মাণ কমিটি নকশাটি হস্তান্তর না করে আটকে রেখেছিল। তবে নকশা দিতে কেন দেরি হলো এবং এর পেছনে কোনো অর্থ লেনদেন আছে কি না, তা দুদক তদন্ত করছে। তিনি আরও বলেন, সিডিএতে স্বচ্ছতা ফেরাতে পরিবর্তন শুরু হয়েছে এবং দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Tags: acc bangladesh corruption dudok bribery cda chattogram development authority building plan approval