মহাসমাবেশের প্রধান উদ্দেশ্য ও তারিখ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) আগামী ৯ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) রাজধানীতে মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক নিয়মিত বৈঠকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
মহাসমাবেশ আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরা— শহীদ ওসমান হাদির প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সকল রাজনৈতিক দলের জন্য 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' নিশ্চিতকরণ এবং গণভোটের মাধ্যমে 'জুলাই সনদের' পক্ষে জনমত তৈরি করা।
আমিরের ক্ষোভ ও দাবি
বৈঠকে দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম শহীদ ওসমান হাদিসহ অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের এখনো আইনের আওতায় আনতে না পারাকে 'চরম ব্যর্থতার পরিচায়ক' বলে মন্তব্য করেন। তিনি এই ব্যর্থতার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও জুলাই সনদ
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। এছাড়াও, তিনি জুলাই সনদের পক্ষে গণভোটের মাধ্যমে জনমত গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ
সভাপতির ভাষণের পর, উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা আশা প্রকাশ করেন যে, ঘোষিত এই মহাসমাবেশের মাধ্যমে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিসহ 'জুলাই সনদের' পক্ষে দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী জনমত গড়ে উঠবে।
বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিকসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।