পদত্যাগের কারণ ও নির্বাচনী কৌশল
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন কেন হঠাৎ দল পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের দাবি, রাশেদ খাঁনের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই নির্বাচনী কৌশল। তিনি মনে করছেন, ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলে তার জয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। দেশের বৃহত্তর একটি দলের প্রতীক নিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে বলেও তিনি ধারণা করছেন।
বিএনপিতে যোগদান ও প্রতীক প্রাপ্তি
দলীয় সূত্রে খবর, গণঅধিকার থেকে পদত্যাগের পরই রাশেদ খাঁন দ্রুত বিএনপিতে যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু করবেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটযুদ্ধে নামবেন। তবে কোন আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা এখনও সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি।
গণঅধিকার পরিষদের প্রতিক্রিয়া
গণঅধিকার পরিষদের একাধিক নেতা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, তবে রাশেদ খাঁনের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তার পদত্যাগের পর গণঅধিকার পরিষদের অভ্যন্তরে একটি নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হতে পারে। এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।