তারেক রহমানের প্রার্থিতা ও রিজভীর মন্তব্য
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের যে কোনো এলাকা থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। তার জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতার কারণে কোথাও তার প্রার্থিতা নিয়ে কোনো বাধা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (Ruhul Kabir Rizvi)। তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের পর এই বক্তব্য তার নির্বাচনী ক্ষেত্র নিয়ে নতুন করে Political Discussion সৃষ্টি করল।
জনপ্রিয়তা ও National Leader-এর তকমা
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (JASAS) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতীকী নেতা: রিজভী বলেন, "তারেক রহমান সারা দেশে নির্বাচন পরিচালনা ও ভোটারদের উদ্দীপনার প্রধান প্রতীক। সারা দেশের মানুষ তার নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তাকে জাতীয় নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছে।"
যৌক্তিক প্রার্থিতা: তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জাতীয় নেতারা যে কোনো জায়গা থেকে নির্বাচন করতে পারেন। তারেক রহমান যেখান থেকে যৌক্তিক মনে করবেন, সেখান থেকেই দাঁড়াবেন। তার প্রতি ভোটারদের আগ্রহ, উচ্ছ্বাস ও জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি যে কোথাও থেকে দাঁড়ানো তার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
ঢাকা ও বগুড়ার গুরুত্ব: Strategic Option
রিজভীর মতে, তারেক রহমানের জন্য রাজধানী ঢাকা থেকে নির্বাচন করা যেমন যৌক্তিক, তেমনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়া থেকেও নির্বাচন করা যুক্তিসঙ্গত। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে বগুড়া থেকে নির্বাচন করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই মন্তব্য তারেক রহমানের নির্বাচনী এলাকার ক্ষেত্রে Strategic Option-এর ইঙ্গিত দেয়।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি: আধিপত্যবাদ ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রিজভী অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এখনো আধিপত্যবাদের (Hegemony) ছায়া বিস্তৃত রয়েছে এবং একটি মহল দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি এতটাই শক্তিশালী যে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে। এ সময় তিনি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে JASAS-এর সাংস্কৃতিক কর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, "গান, কবিতা, নাটক ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক কর্মীরা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করবেন।"