• দেশজুড়ে
  • সারাদেশে আবেদন ১০ লাখ ছাড়াল; প্রবাসীদের ভোট নিবন্ধনের সময় বাড়ল ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত

সারাদেশে আবেদন ১০ লাখ ছাড়াল; প্রবাসীদের ভোট নিবন্ধনের সময় বাড়ল ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
সারাদেশে আবেদন ১০ লাখ ছাড়াল; প্রবাসীদের ভোট নিবন্ধনের সময় বাড়ল ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত

সারাদেশে আবেদন ১০ লাখ ছাড়াল; প্রবাসীদের ভোট নিবন্ধনের সময় বাড়ল ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন প্রবাসীরা। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই হার উল্লেখ্যযোগ্য। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৩৪৭ জন প্রবাসী ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য সফলভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

নিবন্ধনে দেশজুড়ে মাইলফলক নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সারাদেশে 'পোস্টাল ভোট' অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১০ লাখ ৫১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। প্রবাসে থেকেও দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার এই প্রবণতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামের পরিসংখ্যান: শীর্ষে ও তলানিতে যারা ইসির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে। এই আসনে মোট ৮ হাজার ৮০ জন প্রবাসী নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে নারী ভোটার ১৪৪ জন।

নিবন্ধনের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন (৪,০৯০ জন) এবং তৃতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরের আংশিক) আসন (৩,৫০৩ জন)। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম নিবন্ধন হয়েছে চট্টগ্রাম-১৩ (কর্ণফুলী-আনোয়ারা) আসনে, যেখানে ভোটারের সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ২৬৭ জন।

নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধি প্রবাসী ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের কথা বিবেচনা করে নিবন্ধনের সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, শেষবারের মতো পোস্টাল ভোটের আবেদনের সময় আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া ও শর্তাবলি প্রবাসীরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারছেন। তবে এক্ষেত্রে একটি বিশেষ শর্ত রয়েছে— আবেদনকারীকে অবশ্যই বর্তমানে তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন, সেই দেশের একটি কার্যকর মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। সঠিকভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই কেবল তারা ডাকযোগে ব্যালট পেপার পাবেন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।