ইট-কংক্রিটের এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে সরকারের অনুমতি ছাড়াই। এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারেনি প্রশাসন। বরং বলতে গেলে অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
আর এর জেরে দ্বীপের কৃষিজমি এক দশকেই কমেছে ৬৫ একর। পরিস্থিতির কারণে দ্বীপবাসী কৃষিবিমুখ হয়ে পড়ছে। দ্বীপের পরিবেশ-প্রতিবেশ সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, পরিবেশগত সংকট তীব্র হলে ১৯৯৯ সালেই সরকার এই দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে। ইসিএ এলাকায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশের ১৩টি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার একটি এই সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। তার মানে এই দ্বীপের পানি, মাটি, বায়ু বা প্রাণীর ক্ষতি করে—এমন কোনো কাজ এখানে করা যাবে না।
সেখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণে ছাড়পত্র দেয় না পরিবেশ অধিদপ্তর। তার পরও ২০০০ সালের পর থেকে দ্বীপে ইট-কংক্রিটের পাকা স্থাপনা নির্মাণ বাড়তেই থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক দশকে দ্বীপে শতাধিক রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২২ সালে সেন্ট মার্টিনকে মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করে সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী এখানে ইট-সিমেন্ট আনাও নিষিদ্ধ।