বিমানের বিবরণ ও দুর্ঘটনাস্থল এনডিটিভি (NDTV) এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের স্থানীয় বিমান সংস্থা বুদ্ধ এয়ারের (Buddha Air) ৯এন-এএমএফ (9N-AMF) বিমানটি শুক্রবার রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ভদ্রপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ভদ্রপুর বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টার সময় বিমানটিতে আকস্মিক প্রবল ঝাঁকুনি হয় এবং সেটি রানওয়ে থেকে ছিটকে বেরিয়ে যায়। বিমানটি রানওয়ের পাশে নদীর একেবারে ধারে গিয়ে থামে।
যাত্রী ও উদ্ধারকাজ বিমানটিতে যাত্রী ও বিমানকর্মী-সহ মোট ৫৫ জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার ফলে তাদের মধ্যে কয়েকজন সামান্য আহত হলেও, গুরুতর জখম হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত কাঠমান্ডু থেকে উদ্ধারকারী দল ভদ্রপুরে পাঠানো হয়। বিমানের প্রযুক্তিতে দক্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান শুরু করেছেন।
দুর্ঘটনার কারণ ও কুয়াশার প্রভাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকল যাত্রী ও বিমানকর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কী কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো, অর্থাৎ বিমানের চাকা রানওয়ে স্পর্শ করার পরও কেন এটি ছিটকে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, ঘন কুয়াশার প্রভাবের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
নেপালে পূর্ববর্তী বিমান দুর্ঘটনা প্রসঙ্গত, নেপালে বিমান দুর্ঘটনার ইতিহাস বেশ উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশটিতে এক বিমান দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মধ্যে ১৮ জনেরই মৃত্যু হয়েছিল। তার আগে, ২০২৩ সালে ইয়েতি এয়ারলাইন্সের (Yeti Airlines) একটি বিমান পোখরায় অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়, যেখানে যাত্রী এবং বিমানকর্মীসহ মোট ৭২ জন নিহত হয়েছিলেন ।