• দেশজুড়ে
  • তুরাগ তীরে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী ‘খুরুজের জোড়’: Maulana Jubair-এর দোয়ায় মুসল্লিদের ঢল

তুরাগ তীরে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী ‘খুরুজের জোড়’: Maulana Jubair-এর দোয়ায় মুসল্লিদের ঢল

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
তুরাগ তীরে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী ‘খুরুজের জোড়’: Maulana Jubair-এর দোয়ায় মুসল্লিদের ঢল

৭২টি দেশ থেকে আসা প্রায় ২,৫০০ বিদেশি মেহমানসহ বের হলো ১,৫০০ জামাত; Shurayi Nezami-এর অধীনে বিশ্ব ইজতেমার আগে প্রস্তুতি পর্ব সমাপ্ত।

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের অধীনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘খুরুজের জোড়’ (Khurujer Jor) শেষ হলো মোনাজাতের মাধ্যমে। রবিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামে ইজতেমা ময়দানে।

দোয়ায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তানসহ প্রায় ৭২টি দেশ থেকে আগত ২ হাজার ৫০০ বিদেশি মেহমান এবং বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

হেদায়েতি বয়ান ও মোনাজাত

রবিবার বাদ ফজর পাকিস্তানের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা উবায়দুল্লাহ খুরশিদ হেদায়েতি (Hedayeti) বয়ান পেশ করেন। তার বয়ানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল যারা আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াতি কাজে বের হচ্ছেন, তাদের জন্য দিক-নির্দেশনামূলক বার্তা।

মাওলানা খুরশিদের বয়ান শেষে শুরু হয় দোয়া বা মোনাজাত। সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে শুরু হয়ে মোনাজাতটি ৮টা ৪৪ মিনিটে শেষ হয়। Shurayi Nezami-এর অধীনে মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের (Hafez Maulana Mohammad Zubair)।

দাওয়াতি কাজে বের হলো ১,৫০০ জামাত

তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, তুরস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, জর্ডান এবং ভারত ও পাকিস্তানসহ মোট ৭২টি দেশ থেকে বিদেশি মেহমানরা এই জোড়ে অংশ নেন।

জোড় শেষে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জামাত আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াতি কাজে (Dawah Work) বের হয়। এই Khurujer Jor মূলত বিশ্ব ইজতেমার আগে দাওয়াতি কাজের জন্য প্রস্তুত হওয়ার একটি প্রস্তুতিমূলক সভা হিসেবে কাজ করে।

সাদপন্থিদের চক্রান্ত ও ইজতেমা প্রস্তুতি

মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান অভিযোগ করেন যে, সাদপন্থিদের (Sad Group) চক্রান্ত এবং সরকারি প্রজ্ঞাপনের কারণে তাদের মূল মজমাকে বিভক্ত করে যার যার নিজ জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শুরায়ি নেজামের অধীনে আরও বেশি সংখ্যক জামাত আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারত।

তিনি উল্লেখ করেন, সাদপন্থিরা টঙ্গী মাঠে কোনো জোড় বা ইজতেমা করবে না—এই শর্তে গত বছর ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রশাসনসহ সবাই অবগত। তা সত্ত্বেও তারা অযৌক্তিক দাবি তুলে এ বছর ইজতেমা করতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রজ্ঞাপন আসে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পরে ৫৯তম টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Tags: khurujer jor tabligh jamat shurayi nezam maulana zubair turag tair bishwo ijtema dawah sad group religious gathering