• জাতীয়
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কথা আছে, কাজ নেই

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কথা আছে, কাজ নেই

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কথা আছে, কাজ নেই

বাংলাদেশের দুই প্রতিবেশী ভারত এবং মিয়ানমার। দেড় বছর ধরে এ দুই প্রতিবেশীর সঙ্গেই সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের দুই প্রতিবেশী ভারত এবং মিয়ানমার। দেড় বছর ধরে এ দুই প্রতিবেশীর সঙ্গেই সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে বাংলাদেশের।

মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় নিয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। এই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে কোনো সাফল্য আসেনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে জোর উদ্যোগের কথা শোনা যায়। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তৎপরতাও লক্ষ করা যায়। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টো রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের ওপর চাপ বেড়েছে।

গত বছর আগস্টে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সংলাপের আয়োজন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে যোগ দেন। এতে মিয়ানমার ও আঞ্চলিক স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা কেবল কথার জালে বন্দি থাকতে পারি না।

এখনই সময় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও। সংকটের সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে ভাবা এবং তা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখা সবার যৌথ দায়িত্ব। একই সময়ে বাংলাদেশে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গারা যে নিজেদের মাতৃভূমি মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরতে চায়, সে কথা তুলে ধরে তাদের প্রত্যাবাসনের পথ খুঁজে বের করার অঙ্গীকার জানায় পশ্চিমা বিশ্বের ১১ দেশ।

রোহিঙ্গা সংকটের আট বছরপূর্তিতে গত বছরের আগস্টে ঢাকায় দেশগুলোর মিশন এক যৌথ বিবৃতিতে এ সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকারও প্রতিশ্রুতি দেয়।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে গত বছর তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়। এসব সম্মেলনের আয়োজক জাতিসংঘ, কাতার ও বাংলাদেশ। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল বাড়াতে এবং তাদের রাখাইনে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক প্রয়াস জোরদার করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আট বছর পর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন বৈশ্বিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসবের ফলাফল শূন্য।

Tags: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কথা আছে কাজ নেই