কোমা থেকে ফিরে কথোপকথন
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ডেমিয়েন মার্টিনের শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তাঁকে আইসিইউ (ICU) থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হবে। মার্টিনের সাবেক সতীর্থ অ্যাডাম গিলক্রিস্ট পরিবারের পক্ষ থেকে তার সুস্থতার খবর নিশ্চিত করেছেন।
গিলক্রিস্ট বলেন, 'গত ৪৮ ঘণ্টায় মার্টিনের শারীরিক পরিস্থিতির অবিশ্বাস্য পরিবর্তন ঘটেছে। সে এখন কথা বলতে এবং চিকিৎসায় সাড়া দিতে পারছে। কোমা থেকে ফেরার পর তার সাড়া দেওয়া সত্যিই অলৌকিক মনে হচ্ছে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের অন্য কোথাও নিয়ে যেতে আশাবাদী। তার মানসিক অবস্থা ভালো আছে এবং সবার সমর্থন পেয়ে তিনি অভিভূত।'
পরিবারের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
মার্টিনের স্ত্রী আমান্ডা তার স্বামীর দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সমর্থন তারা পেয়েছেন, তা তার স্বামীর সুস্থ হয়ে ওঠায় বড় ভূমিকা রেখেছে।
মার্টিনের ক্রিকেট পরিসংখ্যান
১৯৯২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে ডেমিয়েন মার্টিন ৬৭টি টেস্ট, ২০৮টি ওয়ানডে (ODI) ও ৪টি টি-টোয়েন্টি (T20) ম্যাচ খেলেছেন।
টেস্ট ক্রিকেটে তিনি ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি হাফ-সেঞ্চুরিসহ মোট ৪৪০৬ রান করেছেন। ওয়ানডেতে তার ঝুলিতে আছে ৫টি সেঞ্চুরি ও ৩৭টি হাফ-সেঞ্চুরিসহ ৫৩৪৬ রান।
বিশ্বকাপে মার্টিনের অবদান
মার্টিন অস্ট্রেলিয়ার দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী (১৯৯৯ ও ২০০৩) দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ সালের ফাইনালে তিনি খেলার সুযোগ না পেলেও, ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে তার অবদান অনস্বীকার্য। ভারতের বিপক্ষে সেই ফাইনালে তিনি ৭টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৮৪ বলে অপরাজিত ৮৮ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন।