যুক্তরাষ্ট্রের নিকটতম প্রতিবেশী মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম বলেছেন, আমেরিকা কোনো মতবাদ বা কোনো শক্তির অধীনে নয়। এই মহাদেশ এর প্রতিটি দেশের জনগণের।
সোমবার তিনি এই মন্তব্য করেন। এর আগে বামপন্থি নেতা নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক অভিযানে আটক করার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পশ্চিম গোলার্ধে ওয়াশিংটনের 'প্রাধান্য' থাকার কথা উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের ‘মনরো ডকট্রিনের’ হালনাগাদ
শনিবার রাতে এক মার্কিন অভিযানে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে আনা হয়। এই অভিযানের পর ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে সপ্তাহান্তে 'মনরো ডকট্রিনের' হালনাগাদ হিসেবে উল্লেখ করেন।
১৮২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো এই নীতি ঘোষণা করেছিলেন। নীতিটিতে বলা হয়েছিল, লাতিন আমেরিকা অন্য শক্তির জন্য বন্ধ থাকবে—যার অর্থ তখন ছিল ইউরোপ। অর্থাৎ এই অঞ্চলে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির প্রভাব ঠেকানোই ছিল ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য। ট্রাম্প সেই নীতির বর্তমান প্রয়োগের ইঙ্গিত দেন।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের স্পষ্ট জবাব
ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমেরিকা মহাদেশ কোনো একটি মতবাদ বা কোনো একক শক্তির মালিকানাভুক্ত নয়। এটি সেখানকার সব দেশের জনগণের সম্মিলিত মহাদেশ।
আটকের পর মাদুরো এখন কোথায়?
বর্তমানে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন। আদালতে মাদুরো দাবি করেন যে, তাকে অপহরণ করা হয়েছে। বিচারক তার পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৭ মার্চ নির্ধারণ করেছেন।