• আন্তর্জাতিক
  • ‘আমেরিকা কোনো শক্তির মালিকানাভুক্ত নয়’: ভেনেজুয়েলা সংকটে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা

‘আমেরিকা কোনো শক্তির মালিকানাভুক্ত নয়’: ভেনেজুয়েলা সংকটে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা

ভেনেজুয়েলার বামপন্থি নেতা মাদুরোকে আটকের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মনরো ডকট্রিন’ প্রসঙ্গ তোলার পরেই মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম এই মন্তব্য করেন।

আন্তর্জাতিক ১ মিনিট পড়া
‘আমেরিকা কোনো শক্তির মালিকানাভুক্ত নয়’: ভেনেজুয়েলা সংকটে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা

ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক অভিযানে আটকের পর পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের 'প্রাধান্য' থাকার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম। সোমবার তিনি বলেন, আমেরিকা মহাদেশ কোনো শক্তির মালিকানাভুক্ত নয়। এটি প্রতিটি দেশের জনগণের।

যুক্তরাষ্ট্রের নিকটতম প্রতিবেশী মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম বলেছেন, আমেরিকা কোনো মতবাদ বা কোনো শক্তির অধীনে নয়। এই মহাদেশ এর প্রতিটি দেশের জনগণের।

সোমবার তিনি এই মন্তব্য করেন। এর আগে বামপন্থি নেতা নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক অভিযানে আটক করার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পশ্চিম গোলার্ধে ওয়াশিংটনের 'প্রাধান্য' থাকার কথা উল্লেখ করেন।

ট্রাম্পের ‘মনরো ডকট্রিনের’ হালনাগাদ

শনিবার রাতে এক মার্কিন অভিযানে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে আনা হয়। এই অভিযানের পর ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে সপ্তাহান্তে 'মনরো ডকট্রিনের' হালনাগাদ হিসেবে উল্লেখ করেন।

১৮২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো এই নীতি ঘোষণা করেছিলেন। নীতিটিতে বলা হয়েছিল, লাতিন আমেরিকা অন্য শক্তির জন্য বন্ধ থাকবে—যার অর্থ তখন ছিল ইউরোপ। অর্থাৎ এই অঞ্চলে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির প্রভাব ঠেকানোই ছিল ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য। ট্রাম্প সেই নীতির বর্তমান প্রয়োগের ইঙ্গিত দেন।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের স্পষ্ট জবাব

ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমেরিকা মহাদেশ কোনো একটি মতবাদ বা কোনো একক শক্তির মালিকানাভুক্ত নয়। এটি সেখানকার সব দেশের জনগণের সম্মিলিত মহাদেশ।

আটকের পর মাদুরো এখন কোথায়?

বর্তমানে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন। আদালতে মাদুরো দাবি করেন যে, তাকে অপহরণ করা হয়েছে। বিচারক তার পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৭ মার্চ নির্ধারণ করেছেন।

Tags: donald trump nicolas maduro latin america venezuela claudia sheinbaum us mexico monroe doctrine north america