• জাতীয়
  • নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান: ৩টি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ

নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান: ৩টি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান: ৩টি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের নজরদারি; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Circular জারি, রোহিঙ্গা ক্যাম্প সিল করার নির্দেশ ইসির

নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে যৌথবাহিনীর (Joint Forces) বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানানির্বাচন সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী দমনে জোর

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর ঘোষণা; আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধ ও Rohingya Camp-গুলোতে কঠোর নজরদারি

এই অভিযানের আগাম তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজকের মধ্যেই এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র (Circular) জারি হয়ে যাবে এবং সকল বাহিনী প্রধানদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ইতোমধ্যে মিটিং হয়েছে। এই পদক্ষেপ নির্বাচনকালীন সময়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Maximum Security) নিশ্চিত করার ইঙ্গিত বহন করে।

যৌথ অভিযানের ৩টি প্রধান লক্ষ্য

নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ জানান, যৌথবাহিনীর এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নজর দেওয়া:

১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের (Illegal Arms) সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করা।

২ arms terrorists security

নির্বাচনের আগে Nationwide যৌথ অভিযান

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে যৌথবাহিনীর (Joint Forces) বিশেষ অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল. চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার: চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের (Identified Terrorists) গ্রেপ্তার করা এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

৩. আচরণবিধি তদারকি: নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি (** ফজল মো. সানাউল্লাহ এই অভিযানের আগাম তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র (Circular) জারি হয়ে যাবে এবং এর মধ্য দিয়েই সারাদেশে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে। এই অভিযানCode of Conduct**) আছে, তার বড় কোনো ব্যত্যয় (Violation) ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয়গুলো রুটিন কমিটি দেখবে।

**রোহিঙ্গা শিবির নিয়ে বিশেষ নির্বাচনের নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি বড় পদক্ষেপ।

যৌথ অভিযানের মূল লক্ষ্য: তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য

নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ জানান, যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে সতর্কতা**

ইসি মো. সানাউল্লাহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রোহিঙ্গা শিবির (Rohingya Camps) নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, "ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে তিনটি:

১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের (Illegal Arms) সরবরাহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেসব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করা।ও নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে। এই সতর্কবার্তা দেশের Border Security এবং নির্বাচনকালীন সময়ে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

Tags: bangladesh election code of conduct illegal arms rohingya camp police counter terrorism joint forces bsf military election security