দায়মুক্তির কারণ ও বৈধতা আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল তাঁর 'জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি' শিরোনামের ফেসবুক পোস্টে এই আইন প্রণয়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, “জুলাই যোদ্ধারা জীবনবাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছিল। অবশ্যই তাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে 'ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার খুনিদের' বিরুদ্ধে তারা যে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম করেছিল, সে জন্য তাদের দায়মুক্তি দিয়ে আইন প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে।
সংবিধান ও আন্তর্জাতিক নজির অধ্যাদেশ প্রণয়নের বৈধতা প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ ও আন্তর্জাতিক নজিরের উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এ ধরনের আইন প্রণয়ন সম্পূর্ণ বৈধ। আরব বসন্ত বা সমসাময়িককালে বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানে জনধিকৃত সরকারগুলোর পতনের পর বিভিন্ন দেশে এমন দায়মুক্তির আইন হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে দায়মুক্তির আইনের বৈধতা রয়েছে এবং এর আগেও ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি আইন হয়েছিল।
পরবর্তী পদক্ষেপ আইন উপদেষ্টা আরও জানান, এসব নজির ও আইনের আলোকে আইন মন্ত্রণালয় দায়মুক্তি অধ্যাদেশের খসড়াটি তৈরি করেছে। এটি ইনশাআল্লাহ্ আগামী উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, “জুলাইকে নিরাপদ রাখা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।”