স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাতে মন্তব্য বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মক্রমপ্রতাপ এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এই মন্তব্য করেন।
গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকা আবু নাসের রহমাতুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, যখনই বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংকটে পড়েছে, তখনই বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকা হিসেবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র রক্ষায় তার আপসহীন ভূমিকার কারণেই তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাস লেখা অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্রকে বারবার নিশ্চিহ্ন করতে যারা চেষ্টা চালিয়েছে, তারাই আজ বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
মরহুমা খালেদা জিয়া আরও শক্তিশালী প্রতীক বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য দৃঢ়তার সাথে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সম্মানের সঙ্গে বিদায় গ্রহণ করেছেন। কিন্তু জীবিত অবস্থার চেয়েও আজ মরহুমা খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে আরও বেশি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও বেগম খালেদা জিয়াকে ইতিহাস থেকে কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারবে না।
নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ স্মরণসভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট সমাজসেবক খন্দকার মোফাজ্জেল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সালাম রাড়ী, চরমোনাই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন আকন, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইয়াসিন সিকদার চুন্নু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান বাচ্চু ও আতিকুর রহমান পান্নু, এইচএম মাহবুবুর রহমান মামুনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।