আসন্ন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জাল ভোট, কারচুপি এবং যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সতর্ক ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন।
জাল ভোট ও কারচুপিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো ভোটকেন্দ্রে বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এলাকায় জাল ভোট দেওয়ার বা কারচুপির কোনো প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। এক্ষেত্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বা বাহিনীর সদস্যদের সামান্যতম গাফিলতিকেও গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইসি সচিবালয় থেকে এই নির্দেশনা প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা ভোটের দিন ও তার আগে-পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনীকে সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে। কমিশনাররা জোর দিয়ে বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে। বিশেষ করে, ভোটগ্রহণের সময় কেন্দ্রের আশেপাশে যেকোনো ধরনের ভিড় বা উত্তেজনা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের বার্তা নির্বাচন কমিশনাররা তাদের বার্তায় স্বচ্ছতার উপর জোর দিয়েছেন। তারা মনে করেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো নিরাপত্তা এবং নিরপেক্ষতা। এই নির্দেশনার মাধ্যমে ইসি তাদের নিরপেক্ষতা এবং নির্বাচন পরিচালনায় কঠোর মনোভাবের বার্তাটি স্পষ্ট করে দিল।